গ্রাহকদের মোট ২৬০ মিলিয়ন পাউন্ড ফেরত দিতে বলা হয়েছে

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের পানি কোম্পানিগুলোকে দুর্বল পারফরম্যান্সের কারণে গ্রাহকদের মোট ২৬০ মিলিয়ন পাউন্ড ফেরত দিতে বলা হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা Ofwat জানায়, এর ৪০% ইতিমধ্যেই চলতি বছরের বিল থেকে কেটে নেওয়া হয়েছে, বাকিটা পরের বছরে কাটা হবে। তবে ২০৩০ সাল পর্যন্ত পানির বিল উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে থাকবে, কারণ দেশজুড়ে পুরোনো পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিপুল বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। পরিবেশ সংস্থা (EA) ২০২৪ সালে পানির মান ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে কোম্পানিগুলোর পারফরম্যান্সকে ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

সবচেয়ে বড় জরিমানা পেয়েছে থেমস ওয়াটার—৭৫.২ মিলিয়ন পাউন্ড, এবং কোম্পানিটি EA থেকে এক তারকা রেটিং পেয়েছে। পরিবেশমন্ত্রী এমা রেনল্ডস বলেছেন, দেশ এখন কার্যত একটি ব্যর্থ পানি ব্যবস্থার মুখোমুখি, যেখানে অবকাঠামো ভেঙে পড়ছে এবং নদীতে বর্জ্য প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন; অন্যায্য বোনাস নিষিদ্ধ করা ও পরিবেশবিধি ভঙ্গে আর্থিক জরিমানা বাড়ানোসহ। যদিও কোম্পানিগুলো দাবি করছে তারা ধীরে ধীরে উন্নতির পথে, তবু EA বলছে ফলাফল এখনো হতাশাজনক, এবং অবিলম্বে পরিবর্তনের প্রয়োজন।

২০২৪ সালে ইংল্যান্ডের নয়টি প্রধান পানি কোম্পানির সম্মিলিত রেটিং নেমে এসেছে ২৫ তারকা থেকে ১৯ তারকায়—২০১১ সালের পর এটি সর্বনিম্ন। মাত্র একটি কোম্পানি, সেভার্ন ট্রেন্ট, চার তারকা রেটিং পেয়েছে; থেমস ওয়াটার এক তারকা নিয়ে তলানিতে। EA জানিয়েছে, পর্যবেক্ষণ ও পরিমাপের মান কড়াকড়ি হওয়ায় কিছু উন্নতি সত্ত্বেও সামগ্রিক অবস্থান খারাপ। সমালোচকরা বলছেন, বেসরকারীকরণের এই মডেল ব্যর্থ, যা জনআস্থা নষ্ট করছে। সরকার ২০২৭ সাল থেকে নতুন রেটিং পদ্ধতি চালু করবে এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *