পেঙ্গুইন ও ক্লাব বার: এখন আর আনুষ্ঠানিকভাবে “চকলেট” হিসেবে গণ্য হচ্ছে না।

কোকোয়ের দাম বাড়ায় ম্যাকভিটিজের জনপ্রিয় দুই পণ্য; পেঙ্গুইন ও ক্লাব বার: এখন আর আনুষ্ঠানিকভাবে “চকলেট” হিসেবে গণ্য হচ্ছে না। কোম্পানি প্ল্যাডিস কোকোর পরিমাণ কমিয়ে তুলনামূলক সস্তা উপাদান ব্যবহার শুরু করেছে, ফলে এগুলো এখন “চকলেট ফ্লেভার” নামে বাজারজাত হচ্ছে। পশ্চিম আফ্রিকার আইভরি কোস্ট ও ঘানায় খরার কারণে কোকো উৎপাদন কমে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে কোকোর দাম বেড়ে গেছে, যা এই পরিবর্তনের মূল কারণ।

কোম্পানির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, “চকলেট কোটিংয়ের বদলে এখন আমরা কোকো মাসসহ চকলেট ফ্লেভার কোটিং ব্যবহার করছি,” এবং ভোক্তা পরীক্ষায় এর স্বাদ আগের মতোই পাওয়া গেছে। প্ল্যাডিস বলেছে, তারা খরচ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ভালো স্বাদের স্ন্যাকস দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং কেবল প্রয়োজন পড়লেই রেসিপি পরিবর্তন করে।

চকলেট ইতিহাসবিদ অ্যালেক্স হাচিনসনের মতে, অনেক প্রস্তুতকারকই এখন কোকো বাটার ও সলিডের পরিমাণ কমিয়ে পাম অয়েল বা শিয়া বাটারের মতো বিকল্প ব্যবহার করছে। যুক্তরাজ্যে দুধচকলেট হিসেবে স্বীকৃতি পেতে ২০% কোকো সলিড থাকতে হয়, কিন্তু প্ল্যাডিসের নতুন কোটিংয়ে তা এর চেয়েও কম। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে কোকোর দাম কিছুটা কমেছে, গত তিন বছরে ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধি ইস্টার ডিমসহ বিভিন্ন চকলেট পণ্যের দাম ও লাভের মার্জিনে চাপ ফেলেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *