ইংল্যান্ডে আগামী দুই বছরের মধ্যে চালু হতে যাচ্ছে একটি এনএইচএস অনলাইন হাসপাতাল সার্ভিস, যার লক্ষ্য হলো অপেক্ষার সময় কমানো ও রোগীদের দ্রুত সেবা দেওয়া। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার লেবার পার্টির সম্মেলনে ঘোষণা করবেন যে এই নতুন ডিজিটাল হাসপাতাল সার্ভিসে নিজস্ব চিকিৎসক থাকবেন, যারা অনলাইনের মাধ্যমে রোগীদের দেখবেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা, কনসালট্যান্টের সঙ্গে ফলো-আপসহ বেশিরভাগ চিকিৎসা কার্যক্রম অনলাইনেই সম্পন্ন হবে।
স্বাস্থ্যসচিব ওয়েস স্ট্রিটিং জানিয়েছেন, এটি ইতোমধ্যেই কিছু হাসপাতালে সফলভাবে চালু হয়েছে, যেমন সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল ও মুরফিল্ডস। অ্যাপের মাধ্যমে রোগীরা স্ক্যান, টেস্ট বা অন্যান্য সেবা নিকটবর্তী সেন্টারে বুক করতে পারবেন। ২০২৭ সাল থেকে ধাপে ধাপে শুরু হবে এই সার্ভিস, বিশেষ করে চোখ, স্ত্রীরোগ ও হজমজনিত সমস্যার মতো ক্ষেত্রে যেখানে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন কম থাকে। তবে কোন রোগী অনলাইনে সেবার জন্য উপযুক্ত তা নির্ধারণ করা বড় চ্যালেঞ্জ হবে।
সরকার আশা করছে, প্রথম তিন বছরে এই অনলাইন হাসপাতাল প্রায় ৮.৫ মিলিয়ন অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও পরীক্ষা সম্পন্ন করবে, যা একটি গড় এনএইচএস ট্রাস্টের চার গুণ। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন—ডিজিটাল সেবা সবার জন্য সহজলভ্য না-ও হতে পারে, এবং ডাক্তার-নার্স ঘাটতির কারণে বাস্তবায়নে জটিলতা আসতে পারে। তা সত্ত্বেও, অনেকের মতে এটি এনএইচএসকে আধুনিক করার এক বড় পদক্ষেপ, যা সামনাসামনি চিকিৎসার চাপও কিছুটা কমিয়ে দেবে।