একসময় তিন কেজি ইলিশের দামে এক কেজি গরুর মাংস মিলত, এখন উল্টো পরিস্থিতি।

ইলিশের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) খুচরা বাজারে আকারভেদে সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণের সুপারিশ করেছে। সেপ্টেম্বরে কেজিপ্রতি ইলিশের দাম ২ হাজার ২০০ টাকায় ওঠে, যা অতীতের তুলনায় অনেক বেশি। কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, একসময় তিন কেজি ইলিশের দামে এক কেজি গরুর মাংস মিলত, এখন উল্টো পরিস্থিতি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে ইলিশের দাম ৯০০ থেকে ২২০০ টাকার মধ্যে হলেও ভারতে রপ্তানির গড় দাম কেজিপ্রতি ১৫৩৪ টাকা। অর্থাৎ রপ্তানি করেও ব্যবসায়ীরা লাভবান হচ্ছেন, অথচ স্থানীয় বাজারে ভোক্তারা বাড়তি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। গত পাঁচ বছরে ইলিশের দাম ৫৭ শতাংশ বেড়েছে।

ট্যারিফ কমিশন ১১টি কারণে দাম বাড়ার ব্যাখ্যা দিয়েছে। যেমন—চাহিদা ও সরবরাহে ভারসাম্যহীনতা, সিন্ডিকেট, জ্বালানি ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি, নদীর নাব্য সংকট, অবৈধ জাল ব্যবহার, দাদন ব্যবসা ও রপ্তানির চাপ। প্রতিবছর গড়ে সাড়ে পাঁচ লাখ টন ইলিশ আহরণ হলেও গত অর্থবছরে কিছুটা কমে ৫ লাখ ২৯ হাজার টন ইলিশ ধরা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *