পাকিস্তান ফাইনালে দারুণ শুরুর পর হঠাৎ ভেঙে পড়ে। সাহিবজাদা ফারহানের অর্ধশতক ও তিনটি ছক্কা বুমরার বিপক্ষে ইতিহাস গড়লেও দল ১১৩ রানে ১ উইকেট থেকে ১৪৬ অলআউট হয়ে যায়। কুলদীপ যাদবের ঘূর্ণিতে শেষ ৯ উইকেট পড়ে মাত্র ৩৩ রানে। এতে সবাই ধরে নেয় ভারত সহজেই জিতবে।
কিন্তু ভারতের শুরুটাও ভঙ্গুর হয়। মাত্র ২০ রানেই তারা হারায় তিন ব্যাটসম্যান—অভিষেক শর্মা, সূর্যকুমার যাদব আর শুবমান গিল। ম্যাচে বারবার পাল্টে যায় দিক, গ্যালারিতেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হাড্ডাহাড্ডি পরিস্থিতি তৈরি হয় যখন শেষ দুই ওভারে ভারতের দরকার ছিল ১৭ রান।
শেষদিকে দায়িত্ব নেন তিলক বর্মা ও শিবম দুবে। দুবের ছক্কা, তিলকের অপরাজিত ৬৯ রানের ইনিংস আর রিংকু সিংয়ের শেষ শট মিলিয়ে ভারত ম্যাচ জেতে ২ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেটে। এতে নবমবারের মতো এশিয়া কাপের শিরোপা জেতে তারা, আর টি–টোয়েন্টি সংস্করণে এটি তাদের দ্বিতীয় শিরোপা।