প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বাধ্যতামূলক আইডি কার্ড চালু থাকলেও ১৯৫২ সালে তা বাতিল করা হয়। ২০০৬ সালে অভিবাসন, সন্ত্রাসবাদ ও ভুয়া ভাতা রোধের যুক্তিতে নতুন আইডি কার্ড আনার চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু ২০১০ সালে সরকার পরিবর্তনের পর সেটি বন্ধ হয়ে যায়।
এখন কিয়্যার স্টারমার এক নতুন পরিকল্পনা এনেছেন, স্মার্টফোনভিত্তিক ডিজিটাল আইডি, যা পরিচয় ও কাজের অধিকার প্রমাণের জন্য ব্যবহৃত হবে।
সরকার বলছে, এই ডিজিটাল আইডি বিনামূল্যে দেওয়া হবে এবং এর মাধ্যমে নাম, জন্মতারিখ, ছবি, জাতীয়তা বা রেসিডেন্সি স্ট্যাটাস প্রমাণ করা যাবে। শুরুতে এটি মূলত অবৈধভাবে কাজ করা ঠেকাতে ব্যবহার করা হবে, তবে ভবিষ্যতে ড্রাইভিং লাইসেন্স, কল্যাণভাতা বা শিশুসেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও সহজ হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্যে কাজ করার অধিকার যাচাইয়ের জন্য ডিজিটাল আইডি বাধ্যতামূলক হবে।
তবে সমালোচকরা বলছেন, এটি অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে খুব একটা কার্যকর হবে না, কারণ যারা কালো বাজারে কাজ করে তারা আনুষ্ঠানিক যাচাইয়ের মধ্যেই আসে না। অনেকের মতে, বিদ্যমান ব্যবস্থার ফাঁকফোকর দূর করা ও শ্রমবাজারে কঠোর নজরদারি জোরদার করাই বেশি ফলপ্রসূ হতে পারে। ইউরোপের অনেক দেশেই আইডি ব্যবস্থা চালু আছে, তবুও অবৈধ কর্মসংস্থান রয়ে গেছে। ফলে ব্রিটেনের নতুন উদ্যোগ কতটা সফল হবে তা সময়ই বলে দেবে।