তেলআবিবের হোস্টেজেস স্কোয়ারে আজ আনন্দ ও স্বস্তির ঢেউ, যদিও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকের মনে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। কানাডার হার্ভি বেটসালেল বলেন, “ইতিহাস তৈরি হচ্ছে চোখের সামনে।” মাইকেল ও পেলেট দুজনেই বলেন, আজ উদযাপনের দিন হলেও সামনে কী ঘটবে, তা নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। মাইকেলের কথায়, “আজ আনন্দের দিন, কিন্তু পরশু থেকেই বাস্তবতা ঠিক করতে হবে।”
রামাল্লায় মুক্তিপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনিদের স্বাগত জানাতে পরিবার-পরিজনের ভিড়। অনেকের চোখে জল, আবার ভয়ের ছায়াও আছে,কারণ ইসরায়েল সতর্ক করেছে যেন প্রকাশ্যে উদযাপন না হয়। অনেকে দুর্বল ও আহত অবস্থায় ফিরে এসেছে; কেউ কেউ পিটুনির চিহ্নও বয়ে এনেছে। হামাস জানিয়েছে, গাজায় ফেরত আসা বন্দিদের চিকিৎসা চলছে। আজ মোট প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিকে ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ইসরায়েলি পার্লামেন্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দীর্ঘ বক্তৃতায় শান্তির বার্তা উঠে আসে। তিনি ঘোষণা করেন, “ইসরায়েল এখন যা জেতার ছিল, জিতে নিয়েছে, এখন সময় শান্তির।” বক্তৃতার সময় একজন এমপি “Recognise Palestine” লেখা কাগজ তুলে প্রতিবাদ করেন। পরে ট্রাম্প মিশরে যান, যেখানে বিশ্বনেতারা গাজার যুদ্ধ শেষ করার চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছেন।