দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে সাফল্যের স্বাদ পেয়েছেন হ্যারি কেইন। পেশাদার ফুটবলের ১৫তম মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে বুন্দেসলিগা জিতে তিনি কাটিয়েছেন ট্রফিহীন অধ্যায়। কিন্তু এখানেই থেমে থাকতে চান না ইংল্যান্ড অধিনায়ক। এখন তার লক্ষ্য আরও বড়: চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা, ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপ এনে দেওয়া এবং ব্যক্তিগতভাবে ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার, ব্যালন ডি’অর জয় করা।
যদিও সেপ্টেম্বরের ২০২৫ ব্যালন ডি’অর র্যাংকিংয়ে তিনি ছিলেন মাত্র ১৩তম, গত এক মাসে কেইনের পারফরম্যান্স এক নতুন উচ্চতায় উঠেছে। ৩২ বছর বয়সেও তিনি যেন আরও ধারালো হয়ে উঠেছেন: ১২ ম্যাচে ২০ গোল, গড়ে প্রতি ৫৪ মিনিটে একটি গোল। তিনি এখন ইউরোপের সবচেয়ে কার্যকর স্ট্রাইকার, যেখানে মেসি ও রোনালদোর রেকর্ডও পেছনে ফেলেছেন। শুধু গোল নয়, মাঠে তার বুদ্ধিমত্তা, পাস তৈরি করা এবং সতীর্থদের খেলায় জড়িয়ে নেওয়ার ক্ষমতা তাকে আলাদা করেছে।
জার্মান কিংবদন্তি লোথার ম্যাথাউসের ভাষায়, “কেইন সেন্টার-ফরোয়ার্ড পজিশনকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন।” কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি তাকে আক্রমণে প্রায় পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন, যাতে তিনি একই সঙ্গে গোলদাতা, সৃজনশীল খেলোয়াড় ও সংগঠকের ভূমিকায় থাকেন। বায়ার্নের হয়ে তার এই আধিপত্য, আর ইংল্যান্ডকে যদি তিনি ২০২৬ বিশ্বকাপে সাফল্য এনে দিতে পারেন: তবে মাইকেল ওয়েনের পর আরও এক ইংরেজ হিসেবে কেইনের হাতে ব্যালন ডি’অর উঠতে পারে, ২৫ বছর পর।