লেবার নেতা এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টার্মার বলেছেন, রিফর্ম ইউকের ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকার অনুমতি’ (ILR) বাতিল করার নীতি বর্ণবাদী ও অনৈতিক। এই নীতি কার্যকর হলে বহু বৈধ অভিবাসীকে দেশ থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে। তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসীদের দেশ থেকে ফেরত পাঠানো আলাদা ব্যাপার, কিন্তু যারা আইন মেনে এখানে বসবাস করছেন, কাজ করছেন এবং সমাজের অংশ হয়ে গেছেন, তাদের তাড়িয়ে দেওয়া দেশকে ভেঙে দেবে।
তবে স্টার্মার এ-ও উল্লেখ করেন যে, রিফর্ম সমর্থকরা বর্ণবাদী নন, বরং গত ১৪ বছরের কনজারভেটিভ সরকারের ব্যর্থতায় হতাশ। তিনি বলেন, জনগণ পরিবর্তন চায় এবং দ্রুত উন্নতি দেখতে চায়। অন্যদিকে, রিফর্ম ইউকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের পরিকল্পনা কেবল ব্রিটিশ নাগরিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করবে এবং অভিবাসীদের সমাজে অবদান রাখতে বাধ্য করবে। এ নিয়ে জনমতও বিভক্ত, অনেকে ILR বাতিলের বিরোধিতা করছেন, আবার কেউ কেউ সমর্থন দিচ্ছেন।
এদিকে, লেবার সম্মেলনের প্রাক্কালে স্টার্মারকে নিজের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। দলের ভেতরে ভাঙন, জনপ্রিয়তা কমে যাওয়া এবং রিফর্মের উত্থান নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্টার্মার জোর দিয়ে বলেছেন, এখনই আত্মসমালোচনার সময় নয়; বরং একসাথে লড়াই করতে হবে দেশের ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য। তিনি স্বীকার করেছেন পরিবর্তন আনতে সময় লাগবে, তবে জনগণকে আশ্বস্ত করেছেন যে লেবার সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করবে।